জানি না কেন আমাকে শাস্তি পেতে হচ্ছে ,মনে হচ্ছে নরকে আছি :কাফিল খান

জেল থেকেই তিনি মর্মস্পর্শী খোলা চিঠি লিখে নিজের মনোভাব ব্যক্ত রেছেন৷ জেলে তাকে খুবই অত্যাচার করা হচ্ছে৷জানি না কেন আমাকে শাস্তি পেতে হচ্ছে। আমি কখন আমার সন্তানদের, আমার স্ত্রী, আমার মা এবং আমার ভাই এবং বোনকে দেখতে পাব? করোনাভাইরাসের মারাত্মক লড়াইয়ের ক্ষেত্রে আমি কখন ডাক্তার হিসাবে আমার দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হব? জেলের ভেতরের অবস্থাকে নরকে সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি৷গোরক্ষপুরে শিশুমৃত্যুর সময় বহু শিশুর প্রাণরক্ষা করে শিরোনামে এসেছিলেন এই ডাক্তার৷ তিনি বর্তমানে সিএএ বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার জন্য দণ্ডিত রয়েছেন৷উত্তরপ্রদেশের ডাক্তার কাফিল খান জেলেই ছিলেন, এমতাবস্থায় তাঁর বিরুদ্ধে ওই জাতীয় নিরাপত্তা আইনেই মামলা করা হয়েছে , যাতে আর বার হতে না পারেন। মথুরা জেলের সিনিয়র সুপার শৈলেন্দ্র মৈত্রী চিঠির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

“কাফিল কোনও চিঠি লেখার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। আমরা বিদায়ী সমস্ত মেলগুলি স্ক্রিন করেছি, এবং কাফিলের লেখা এই জাতীয় কোনও চিঠি আমরা দেখতে পাইনি। এবং লকডাউন শুরু হওয়ার পরে কাউকেই বন্দীদের সাথে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। সুতরাং, অভিযুক্ত চিঠিটি কীভাবে গেল?” ” তিনি জিজ্ঞাসা রেছেন

তিনি আরও লিখেছেন, “আমি পড়ার চেষ্টা করি তবে শ্বাসরুদ্ধের কারণে মনোযোগ দিতে পারছি না। অবস্থা খুবই খারাপঅস্বাস্থ্যকরদমবন্ধ হয়ে যায়৷ যে জেলে ৫০০ জন থাকা যায়সেখানে রাখা হয়েছে ১৬০০ জনকে৷ ফলে আরও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে৷ একটি টয়লেট ব্যবহার করছে ১২৫১৫০ জন৷ প্রস্রাব  ঘামের দুর্গন্ধ এবং বিদ্যুৎ না থাকলে গরমের ফলে অসহ্য হয়ে উঠেছে জীবন৷ কয়েক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর টয়লেটে ঢোকার পর আসে ঝাঁক ঝাঁক মশামাছি৷ এই পরিস্থিতি তার মতো ডাক্তারকে কখনও পড়তে হয়নি৷

Facebook Comments

Recommended For You

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *